নিহত অমল দেবনাথ উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের চৌপুকুরিয়া গ্রামের মৃত ধীরেন দেবনাথের ছেলে। অমল দেবনাথ স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় শ্রমিকের কাজ করেন। তাঁকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার চৌপুকুরিয়া গ্রামের হিরু দেবনাথ (৪০) ও চকপাতলা গ্রামের খোরশেদুল ইসলাম ওরফে রশিদুল (৩৫)। এ ঘটনায় অমলের বড় ভাই রঞ্জন দেবনাথ বাদী হয়ে আজ সন্ধ্যায় বীরগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে হিরু ও রশিদুল পুলিশকে জানিয়েছেন, আজ দুপুরে সিংড়া শালবন এলাকা ধানখেত থেকে গবাদিপশুর জন্য ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছিলেন অমল। এ সময় হিরু, রশিদুলসহ চারজন চাউলিয়া এলাকায় বনের পাশে বসে মাদক সেবন করছিলেন। পথে অমলের সঙ্গে হিরুর দেখা হলে পাওনা টাকা পরিশোধ করাসহ পারিবারিক বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে অমলের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করেন হিরু। একপর্যায়ে অমলের গলায় ছুরিকাঘাত করে হিরু ও তাঁর সঙ্গীরা সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বীরগঞ্জ থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অমলকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

বীরগঞ্জ থানার উপপুলিশ পরিদর্শক শাহজাহান সিরাজ বলেন, হামলাকারীরা অমলের মাথা ও গলায় আঘাত করেছেন। অমলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। আগামীকাল শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হবে।