পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বাড়ির পাশের আমগাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর দুলাল মিয়ার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় আবুল কালামের। এর জেরে দুলাল মিয়া তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাত ৯টার দিকে লাঠিসোঁটাসহ আবুল কালামের বাড়িতে এসে হামলা চালান। হামলায় আবুল কালাম গুরুতর আহত হয়। পরে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। হামলায় আবুল কালামের বোন ছকিনা বেগমও আহত হয়েছিলেন, তবে তিনি বাড়িতেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ বাড়িতে পৌঁছালে বোন ছকিনা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকেও হাসপাতালে নেওয়া হয়। পথিমধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুস সালাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার প্রথম আলোকে বলেন, নিহত আবুল কালামের মরদেহের ময়নাতদন্ত হবে। এ ঘটনায় দুলাল মিয়ার ভাই নুর বকশ, নুর জামাল মিয়া, ইকবাল হোসেন, ইকবালের স্ত্রী আলেয়া বেগম, ছেলে আশরাফুল হক ও মিজানুর রহমানকে আটক করেছে। দুলাল মিয়া ও তাঁর ছেলে পলাতক আছেন। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হচ্ছে।