পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া মুনাফা খাতুন আজ বিকেলে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি এক সপ্তাহ আগে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম দিয়েছি। এ কারণে লালমনিরহাটে গিয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারিনি। কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় পাস করা চাকরিপ্রার্থীদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে আমার রোল নম্বরও রয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে মুনাফা খাতুন বলেন, ‘আমার ননদ জান্নাতুন ফেরদৌসীর রোল নম্বর ১২০৫১১৫৬। আমার রোল নম্বর ১২০৫১১৫৫। দুটি রোল নম্বর পাশাপাশি হওয়ায় ফল মুদ্রণে ভুল হতে পারে। সঠিকভাবে তদন্ত করে ভুলটি সংশোধন করে আমার ননদকে কৃতকার্য দেখানো হোক। সে খুব ভালো পরীক্ষা দিয়েছে।’

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ–সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট সরকারি কলেজের কলাভবনের তৃতীয় তলায় ৩১৮ নম্বর কক্ষে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন অভিযোগকারী জান্নাতুন ফেরদৌসী। একই পদে পরীক্ষার্থী ছিলেন মুনাফা খাতুন। গত ২১ অক্টোবর সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম দেন তিনি। এ কারণে মুনাফা খাতুন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। ৩০ অক্টোবর ফল প্রকাশিত হয়। তাঁর রোল নম্বরও কৃতকার্য চাকরিপ্রার্থীদের তালিকায় আছে।

এ বিষয়ে কথা বলতে নিয়োগ কমিটির সদস্য ও লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায়ের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।