পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, আক্তার মিয়া ও দুলাল মিয়া সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই। তাঁদের বসতবাড়িও পাশাপাশি। বাড়ির সীমানা নিয়ে কয়েক মাস ধরে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। কয়েক দিন আগে বিরোধপূর্ণ জায়গায় আক্তার মিয়া ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টাও চলে। কাল মঙ্গলবার এ নিয়ে গ্রামের ইউপি সদস্য আবদুল মালেকের নেতৃত্বে সালিস বৈঠক বসার কথা ছিল। এর মধ্যে গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে উভয় পরিবারের লোকজন ঝগড়ায় লিপ্ত হন। রাত ১০টার দিকে তাঁরা দা, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

সংঘর্ষে আক্তার মিয়া, দুলাল মিয়াসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গুরুতর আহত আক্তার মিয়া ও দুলাল মিয়াকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আক্তার মিয়া রাত ১১টার দিকে মারা যান। পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করেছে। তাঁদের থানা হাজতে রাখা হয়েছে।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, আক্তার মিয়ার লাশ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে আছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন