সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ‘খেলা হবে’ কথাটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘‘‘খেলা হবে’’ শব্দটা একটি ‘‘পলিটিক্যাল হিউমার’’। খেলা হবে মারামারি কিংবা পাল্টাপাল্টি করার জন্য না। এটা জাস্ট আমাদের কর্মীরা চাঙা হবে, জনগণ উজ্জীবিত হবে, এটা তো জনগণ ইতিমধ্যে গ্রহণ করে নিয়েছে। জনগণ যেটা পছন্দ করে, সেটা বলতে অসুবিধা কী! এ নিয়ে জাতীয় সংসদের একজন সদস্য কটাক্ষ করেছেন। এটা বিএনপির সঙ্গে মারামারি করার জন্য না।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘আগামীকাল বৃহস্পতিবার জনসভায় অংশ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই জনসভা স্মরণকালের ঐতিহাসিক জনসমুদ্রে পরিণত হবে। শেখ হাসিনা বিশ্ব সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বাস্তবতার নিরিখে কাজ করছেন।’

যশোরের মানুষ এখন আড়াই ঘণ্টায় ঢাকায় যেতে পারেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পদ্মা সেতু আজ দূরকে কাছে নিয়ে এসেছে। যশোর, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলাকে কাছে নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি মধুমতী সেতু উদ্বোধনের কারণে এই যাত্রা আরও সহজ হয়েছে।’ করোনা মহামারির সংক্রমণ কমার পরে যশোরে প্রথম জনসভা হচ্ছে। এরপর চট্টগ্রাম, তারপর কক্সবাজারে জনসভা হবে বলে জানান তিনি।

এ সময় যশোরের শামস্-উল হুদা স্টেডিয়ামে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম; সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন; দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া; যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম; সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যশোর জেলা প্রশাসন ও দলীয় নেতা সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে যশোর মতিউর রহমান বিমানঘাঁটিতে এসে নামবেন। এরপর তিনি বেলা দুইটার দিকে যশোর শামস্–উল হুদা স্টেডিয়ামে জনসভায় ভাষণ দেবেন।