এগুলো হচ্ছে—বেখইজোড়া, গোলকপুর, থানুরা পাছাম, সাড়ারকোনা, সুনই, গাবী, মাটিকাটা, বড়ইহাটি, গলহা, ধর্মপাশা ২ নম্বর, খিদিরপুর, মধ্যনগর, দেওলা, জয়শ্রী, কান্দাপাড়া, চামরদানী, বাকাতলা, জাড়ারকোনা, সাউদপাড়া, পলমাটি, কার্তিকপুর, করুয়াজান, কাকরহাটি, দাসপাড়া, হলিদাকান্দা দক্ষিণ, কুড়িকাহনিয়া, বনগাঁও, রায়পুর, বনগাবী, কামাউড়া, কাইকুড়িয়া, শান্তিপুর, জলুষা-শাহাপুর, নওধার, দয়ালপুর ও জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো আসবাব সরবরাহ করা হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের পুরোনো ভবনের বেঞ্চে গাদাগাদি করে পাঠদান চলছে।

ধর্মপাশা উপজেলার হলিদাকান্দা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হালিম তালুকদার বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে ২১৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। নতুন ভবনটির কাজ বছরখানেক আগে শেষ হয়েছে। আসবাব না থাকায় নিরুপায় হয়ে পুরোনো ভবনের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের বেঞ্চে গাদাগাদি করে বসতে হচ্ছে। এতে সুষ্ঠুভাবে পাঠদান সম্ভব না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের খুবই ক্ষতি হচ্ছে।’

মধ্যনগর উপজেলার গলহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মবিন উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে দুই বছর আগে। আসবাব না থাকায় নতুন ভবনটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এতে শিক্ষার্থীদের খুবই ক্ষতি হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েও কোনো সুফল পাইনি।’

মধ্যনগরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ধর্মপাশা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানবেন্দ্র দাস বলেন, ‘এ ৩৬টি নতুন ভবনে আসবাব দেওয়ার জন্য আমি বেশ আগেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্যারের কাছে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি।’

সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আবদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এ বিদ্যালয়গুলোতে আসবাবজনিত সমস্যার সমাধানে অনলাইন দরপত্রের মাধ্যমে আসবাব ক্রয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ সমস্যা সমাধানের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন