বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মারধরের ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক সুকল্যাণ কুমার কুন্ডুকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক হোসনে আরা, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাজউদ্দিন শিকদার ও প্রক্টর কার্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার গৌতম কুমার বিশ্বাস। কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের কর্মীরা হলেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সাব্বির হোসেন ও তোফায়েল আহমেদ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের কামরুল হোসেন চৌধুরী, রসায়ন বিভাগের মো. সৌরভ ও খালিদ হাসান, মার্কেটিং বিভাগের খালিদ সাইফুল্লাহ এবং ইংরেজি বিভাগের শাহরিয়ার হিমেল। তাঁরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক ছাত্র। বহিষ্কৃত ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

গত বৃহস্পতিবার গায়ে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই হলের ছাত্রলীগের কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মারামারির ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ফুটবল খেলছিলেন মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগের কর্মী খালিদ হোসেনসহ কয়েকজন। এ সময় মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মওলানা ভাসানী হল ছাত্রলীগের কর্মী সৌরভ কাপালিকে ধাক্কা দেন খালিদ। পরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে খালিদকে ঘুষি মারেন সৌরভ। মওলানা ভাসানী হলের সজীব হাসানসহ কয়েকজন ওই মারধরে অংশ নেন।

এ ঘটনার জেরে গতকাল বিকেলে ভাসানী হলের ছাত্রলীগের কর্মী সজীব হাসানকে মারধর করেন মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগের কর্মীরা। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন সজীব। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাতজনকে সাময়িক বহিষ্কার করল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন