তিতাস উপজেলা যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

জামাল হোসেন
সংগৃহীত

পূর্বশত্রুতা ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের জেরে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারে জামাল হোসেন (৪০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। রোববার রাত ৮টা ২০ মিনিটে গৌরীপুর পশ্চিমবাজার ঈদগাহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জামাল হোসেন তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি তিতাসের জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের জিয়ারকান্দি নোয়াগাঁও গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তৌহীদ আল-হাসান।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জামাল গৌরীপুর বাজারের একজন ব্যবসায়ী। রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে গৌরীপুর পশ্চিম বাজারে গুলির শব্দ হয়। বোরকা পরে একদল অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে। বুকে ও কপালে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এরপর সেখানে জামালকে পড়ে থাকতে দেখেন ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। পরে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় ব্যক্তিরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তৌহীদ আল-হাসান বলেন, ‘রাত সাড়ে আটটার দিকে জামাল নামের একজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তিনি গুলিবিদ্ধ ছিলেন। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। আমরা তাঁকে মৃত ঘোষণার পর আত্মীয়স্বজনেরা তাঁর লাশ নিয়ে ঢাকায় যান।’

তিতাস উপজেলার কড়িকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তিতাস উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাইফুল আলম বলেন, ‘হত্যার ঘটনাটি শুনেছি। জামাল তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তবে তাঁর রাজনীতি সক্রিয়তা বেশি ছিল দাউদকান্দিকেন্দ্রিক।’

দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে যুবলীগ নেতা জামালের কপালে ও বুকে গুলিবিদ্ধ হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গৌরীপুর বাজারে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।