স্থানীয় ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় কয়কেজন নারী সোমবার দুপুরে টিলা এলাকায় লাকড়ি সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় তাঁরা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্বজনদের খবর দেন। স্থানীয় ব্যক্তিরা বিকেলে থানায় খবর দিলে সন্ধ্যায় পুলিশ পৌঁছে সুরতহাল শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে।

সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, নিহত নারীর গলায় ওড়না দিয়ে কয়েকটা প্যাঁচ দেওয়া। ওড়নার অপর প্রান্ত বোরকার সঙ্গে বাঁধা। তবে শরীরের আর কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।

সেলিনার বড় ভাই আবদুল মান্নান বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে সেলিনা মাস তিনেক আগে তাঁদের বাড়িতে আসেন। তখন থেকে এখানেই থাকতেন। গত রাতে বাড়িতে না পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন, সেলিনা তাঁর স্বামীর বাড়িতে গেছে। কিন্তু সকালে খোঁজ করে সেখানেও পাওয়া যায়নি। পরে টাঙ্গাইলে আরেক ভাইয়ের বাসায়ও খোঁজ করা হয়। দুপুরে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাঁর মরদেহ বাড়ির পাশের টিলায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় নারীরা। সেলিনাকে কেউ হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন আবদুল মান্নান।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।