স্থানীয় যুবক আজিজুল হক জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার পর মফিজ উদ্দিন বাড়ির কাছে একটি চায়ের দোকানে চা পান করে চলে যান। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। সকালে স্থানীয় কৃষকেরা ধানখেতে কাজ করতে গিয়ে তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর গলা ও হাত রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। খবর পেয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা-পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে।

এলাকাবাসীর ধারণা, অন্য কোনো জায়গায় তাঁকে ফাঁস দিয়ে হত্যার পর লাশ মাঠে ফেলে রাখা হয়। তবে কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, সে ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে পারেননি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বেশ কয়েক দিন ধরে জমি নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ চলছিল মফিজের। এ নিয়ে তাঁর স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকেই তিনি বেশির ভাগ সময় বাড়ির বাইরে অবস্থান করতেন। আগে তিনি নিয়মিত জুয়া খেলতেন, সেই সময় তিনি অনেক অর্থসম্পদ নষ্ট করেছেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আননুন যায়েদ বলেন, লাশের গলা ও হাত রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। তা ছাড়া দাঁতে আঘাতের চিহ্ন আছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন