পুলিশ ও জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার সকালে আমন খেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে ফিরোজ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের চান মিয়ার ছেলে মিনালের বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসার জন্য দুই পক্ষের লোকজন গতকাল রাত ১০টার দিকে সাতপাকিয়া গ্রামের চান মিয়ার বাড়ির উঠানে বৈঠকে বসেন। বৈঠকের একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কিনের আলী, ফিরোজ মিয়া ও ইদ্রিস মিয়ার ওপর হামলা চালান। এতে তাঁরা তিনজন গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনেরা তাঁদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক কিনের আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই চান মিয়াসহ হামলাকারীরা পালিয়ে যান। তাই এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আকবর আলী প্রথম আলোকে বলেন, সোমবার আমন খেতে পানি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফিরোজ মিয়া ও মিনালের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল। তাঁরা পরস্পর আত্মীয়। গতকাল রাতে নিজেদের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য বৈঠকে বসেছিলেন। কিন্তু বৈঠকের মধ্যেই এক পক্ষ উত্তেজিত হয়ে হামলা করে।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু সায়েম প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এদিকে আজ সকালে নিহত ব্যক্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।