হাসপাতালের আয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ, ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার
দিনাজপুরের বিরামপুরে হাসপাতালের এক কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় ব্যবস্থাপককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগর এলাকা থেকে র্যাব-৫-এর সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হুমায়ুন কবির (৪৩) বিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি একটি হাসপাতালের ব্যবস্থাপক।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারী (৪০) একই হাসপাতালে আয়া হিসেবে কাজ করেন। প্রায় তিন বছর আগে তাঁর স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরে তিনি হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস শুরু করেন। অভিযোগে বলা হয়, তখন থেকে হুমায়ুন কবির তাঁকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।
এজাহারে বলা হয়, ৫ জানুয়ারি রাত ১২টার দিকে কাজ শেষে হুমায়ুন কবির, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রাসেল মাহমুদ (২৯) ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনের সঙ্গে ওই নারী বাসায় ফেরেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই নারীর কক্ষে গিয়ে গরম পানি চান হুমায়ুন কবির। একপর্যায়ে তিনি ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর অনুরোধ করেন। পরদিন সন্ধ্যায় তত্ত্বাবধায়ক রাসেল মাহমুদ ওই নারীর বাসায় গিয়ে ঘটনাটি প্রকাশ করলে হত্যার হুমকি দেন।
এ ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে হুমায়ুন কবির, রাসেল মাহমুদসহ অজ্ঞাতপরিচয় দুজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বিরামপুর থানায় মামলা করেন। এর পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পলাতক ছিলেন।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, পলাতক আসামি হুমায়ুন কবিরকে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।