চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানার শ্রমিকেরা বলেন, গত ২৬ অক্টোবর শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করার সম্ভাব্য তারিখ ছিল। এর এক দিন আগে চিঠি দিয়ে সভা না করার জন্য অনুরোধ জানায় কারখানা কর্তৃপক্ষ। ওই চিঠি দেওয়ার পরদিনই সিবিএর সভাপতি প্রার্থী এমরান খানসহ চারজনকে বদলি করা হয়।

এদিকে সাধারণ সভা বন্ধ রেখে সভাপতি পদপ্রার্থীসহ চারজনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বদলি করায় টানা কর্মসূচি পালন করে সিইউএফএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন। শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যেই আরও চারজন শ্রমিককে বদলি করা হলে কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ চরম পর্যায়ে পৌঁছে। এ অবস্থায় কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বদলি করা হলে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে।

সিইউএফএল সিবিএর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান খান বলেন, ‘আমাদের এজিএম বন্ধ করতে বলে উল্টো আমাদের বদলি করা হয়েছিল। কারখানার নিবেদিতপ্রাণ শ্রমিক-কর্মচারীদের বিষিয়ে তুলেছিলেন তিনি। এখন স্বস্তি ফিরে এসেছে।’

এ বিষয়ে কথা বলতে মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।