নীলফামারীতে ১০ ইউপি সদস্যকে নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন চেয়ারম্যান
নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা হেদায়েত আলী শাহ ফকির বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে শহরের পৌর সুপার মার্কেটের পাশে অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয়ে তিনি বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ১০ ইউপি সদস্য ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারী-২ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী। তিনি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং দলের চেয়ারপারসন তারেক রহমানের খালাতো ভাই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল পারভেজ, মোস্তফা হক প্রধান, সদস্যসচিব এ এইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল, সদস্য আনিছুর রহমান, শেফাউল জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
হেদায়েত আলী শাহ ফকির নীলফামারী সদর উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করায় ২০২২ সালে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
আজ অনুষ্ঠানে হেদায়েত আলী শাহ ফকির বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করার কারণে আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। নীলফামারী জেলার উন্নয়নের স্বার্থে এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে আমি পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বিএনপিতে যোগদান করলাম।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকিরের সঙ্গে ইউপি সদস্য মশিউর রহমান, মজিবুল হক, বিজয় চন্দ্র, মো. আহাদ আলী, মনি বেগম, আঞ্জু আরা বেগম, মমতা বেগম, মো. মজনু, মো. সিদ্দিক আলী ও মো. সৈয়দ আলী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
তাঁদের ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান শাহরিন ইসলাম চৌধুরী। এ সময় তিনি বলেন, ‘নীলফামারী জেলার উন্নয়নে আমরা অনেক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি, আসুন আমরা দলমত নির্বিশেষে জেলার উন্নয়নের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি। আমরা সরকার গঠন করলে আগামী ৫ বছরে নীলফামারী জেলাকে রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে গড়ে তুলব।’
এর আগে ১১ জানুয়ারি সদর উপজেলার সাবেক চার ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপিতে যোগদান করেন। এ সম্পর্কে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধির কারণে আমরা ঘরোয়া পরিবেশে দলীয় কার্যালয়ে তাঁদের বরণ করে নিয়েছি। তাঁদের মতো অনেকে আমাদের দলে যোগদানের ইচ্ছা পোষণ করেছেন। ২১ জানুয়ারির পর আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের বরণ করে নেব।’