ইউএনও মুছাব্বেরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মিজানুর রহমান নামের ওই ভুয়া কাজি নকল বিবাহ নিবন্ধন ফরম ব্যবহার করে বাল্যবিবাহ দিতেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়ের বিয়ে সম্পাদন করে রাখার পর কনে বা বর পূর্ণবয়স্ক হলে পার্শ্ববর্তী কোনো সরকারি বিবাহ নিবন্ধকের কাছে গিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতেন। গতকাল রাতে একইভাবে ওই এলাকার এক কিশোরীর বিয়ে সম্পাদন করছিলেন মিজানুর।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, নকল নিবন্ধন ফরমসহ ওই ভুয়া কাজিকে হাতেনাতে ধরা হয়। এ সময় তাঁর কাছে প্রায় অর্ধশত বিবাহ সম্পাদনের পূরণকৃত নকল ফরম পাওয়া যায়। পরে ওই ব্যক্তি অপরাধ স্বীকার করার পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে তাঁকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এর আগে ১৫ জুলাই একই দিনে পৃথক দুটি বাল্যবিবাহ দেওয়ার অপরাধে বাগেরহাট সদরে এক কাজি ও অভিভাবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন