নোয়াখালীকে স্বতন্ত্র বিভাগ ঘোষণার দাবিতে ব্লকেড, মানববন্ধন

নোয়াখালী অঞ্চলকে নিয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ ঘোষণার দাবিতে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করা হয়। আজ দুপুরে সোনাইমুড়ী চৌরাস্তায় বীরশ্রেষ্ঠ রহুল আমিন চত্বরেছবি: প্রথম আলো

নোয়াখালীকে স্বতন্ত্র প্রশাসনিক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ব্লকেড এবং চাটখিলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা ও বিকেল ৫টার দিকে পৃথক এ কর্মসূচি হয়।

সোনাইমুড়ী চৌরাস্তায় ব্লকেড কর্মসূচির কারণে নোয়াখালী–কুমিল্লা ও চৌমুহনী–রামগঞ্জ সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী এ ব্লকেডের ফলে ওই সময় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকে।

নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সমন্বয় কমিটি, নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ এবং সোনাইমুড়ী ও চাটখিল উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা যোগ দেন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান, চাটখিল উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কমিটির চাটখিল উপজেলা সভাপতি আনিস আহমেদ, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব আহসানুল হক, জামায়াত নেতা জামাল উদ্দিন ও উপজেলা সংগঠক ফজলে রাব্বি।

নোয়াখালী অঞ্চলকে স্বতন্ত্র বিভাগ ঘোষণার দাবিতে চাটখিলে মানববন্ধন। আজ বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে
ছবি: প্রথম আলো

বক্তারা অভিযোগ করেন, নোয়াখালীকে কুমিল্লা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করার ষড়যন্ত্র চলছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোনো গণশুনানি ছাড়াই এ প্রক্রিয়া চলছে। বক্তাদের দাবি, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ও কুমিল্লাকে সমন্বয় করে ‘নোয়াখালী বিভাগ’ গঠন করতে হবে। অন্য কোনো জেলার নামে বিভাগ হলে তা প্রতিহত করা হবে।

অপর দিকে বিকেলে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা পৌর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন এবং ঢাকা–রামগঞ্জ মহাসড়কে আরেকটি মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।