এদিকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা সাজেক পর্যটককেন্দ্রেও একই অবস্থা। সাজেকের ১২০টি রিসোর্ট-কটেজে মাত্র ৬০ শতাংশ কক্ষ ভাড়া হয়েছে। তবে ঈদুল আজহা ছুটির পর ১৩, ১৪ ও ১৫ জুলাই ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কক্ষ ভাড়া হয়েছে বলে সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া রাঙামাটি আবাসিক হোটেল-মোটেল ও পর্যটক কমপ্লেক্সেও ছুটির পরে ২০ শতাংশ করে কক্ষ বেশি বুকিং হয়েছে বলে জানা গেছে।

default-image

সংশ্লিষ্টরা জানান, রাঙামাটি শহরে আকর্ষণীয় পর্যটন স্পটের মধ্যে ঝুলন্ত সেতু, পলওয়েল পার্ক, জেলা প্রশাসক বাংলো পার্ক, রাজবাড়ী ও রাজবনবিহার উল্লেখ্যযোগ। এ ছাড়া কাপ্তাই হ্রদে ভ্রমণ ও হ্রদের দ্বীপে গড়ে ওঠা পর্যটন স্পট পেদা টিং টিং গাঙ সাবারঙ, মেজাং, সুবলং ঝরনা, চাংপাং, বড় গাঙসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রগুলোত ঈদুল আজহা ছুটিতে স্থানীয় পর্যটকেরা ভিড় করেন।

সাজেক পর্যটনকেন্দ্রের রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জেরি লুসাই বলেন, ‘এবার ঈদুল আজহার ছুটিতে তেমন পর্যটক আসেননি। আমাদের রিসোর্ট-কটেজগুলোর অর্ধেকের বেশি কক্ষ খালি ছিল। তবে ছুটির পরে কিছুটা পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে।’

রাঙামাটি আবাসিক হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মো. মঈন উদ্দিন সেলিম বলেন, ‘আমরা আশা করছিলাম এবারের ঈদুল আজহা ছুটিতে ব্যাপক পর্যটকের আগমন ঘটবে। কিন্তু তা হয়নি, অন্যান্য ছুটির তুলনায় এবার অর্ধেকের চেয়ে কম পর্যটক বেড়াতে এসেছেন।’

রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া বলেন, ঈদুল আজহা ছুটিতে তেমন আসেননি। তবে ছুটির পরে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে। ছুটির দিনগুলোতে শুধু ঝুলন্ত সেতু ও অন্যান্য বিনোদনকেন্দ্রগুলোয় স্থানীয় লোকজন ঘুরেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন