আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গতকাল রাতে বন্দর থানার সোনাকান্দা এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন বন্দর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নূর মোহাম্মদ (৫২), ধামগড় ইউনিয়নের লাহরবাড়ী এলাকার মো. সজীব (৪৫), নবীগঞ্জ কদমরসুল এলাকার বিএনপি নেতা আজিজুল হক রাজিব (৪৫) ও বন্দর থানার সোনাচরা এলাকার হুমায়ন কবির (৫৬)।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, আসামিরা আওয়ামী লীগপন্থী লোকজনকে ডেকে নিয়ে আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখাচ্ছিলেন এবং হুমকি দিয়ে আসছিলেন। মামলার বাদীসহ কয়েকজন ওই ঘটনার প্রতিবাদ করেন। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা আতাউর রহমানসহ আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে বাদীসহ কয়েকজনকে মারধর করে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভাঙচুরের হুমকি দেন। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় আতাউরসহ আসামিরা একত্র হয়ে পরিকল্পিতভাবে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান এবং আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুর করে দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। তাঁরা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে টিনের চাল পুড়িয়ে দেন।

এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক প্রথম আলোকে জানান, আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত আগামী সোমবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হয়রানি করার জন্য এই মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা আতাউর রহমান। এ বিষয়ে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওরা নিজেরা ভাঙচুর করে আমাদের নামে মামলা দিয়েছে। সারা দেশেই ভাঙচুর, জ্বালাও–পোড়াও করে বিএনপির নামে দোষ দেওয়া হচ্ছে। এখানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।’
গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে সিটি করপোরেশনের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দর উপজেলার কবিলার মোড় এলাকায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।