গতকাল শনিবার বিকেলে চারটি বাঘশাবকের জন্ম দেয় পরী। এ নিয়ে চিড়িয়াখানায় বাঘের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬। এর মধ্যে রাজ–পরীর ঘরেই রয়েছে মোট ১০টি বাচ্চা।

চিড়িয়াখানার ভারপ্রাপ্ত কিউরেটর শাহদাত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ১৬টি বাঘ দেশের আর কোনো চিড়িয়াখানা কিংবা সাফারি পার্কে নেই। একসঙ্গে চারটি সাদা বাঘ প্রসবও বিরল ঘটনা। চারটি শাবকই মায়ের সঙ্গে আলাদা খাঁচায় রয়েছে। তারা সুস্থ আছে।

রাজ–পরী এর আগে ২০১৮ সালে প্রথম একটি সাদাশাবক জন্ম দেয়। ওই শাবকটির নাম শুভ্রা। শুভ্রার এখন একটি বাচ্চা রয়েছে। রাজ–পরীর অপর মেয়ে জয়ার তিনটি বাচ্চা রয়েছে।

default-image

সাদা বাঘ জন্ম নেওয়া খুব বিরল ঘটনা বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। ফলে বিভিন্ন চিড়িয়াখানা কিংবা সাফারি পার্কে সহজে এর দেখা মেলে না। সাদা বাঘ জন্মেরও নানা কারণ থাকে। জানতে চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মনিরুল এইচ খান প্রথম আলোকে বলেন, জিনগত কারণ এবং শ্বেতী বা অ্যালবিনোর কারণে বাঘ সাদা হতে পারে। তবে অ্যালবিনোর কারণে সাদা হলে পুরোটা সাদা হবে। আর জিনগত হলে তা সাদার ওপর কালো ডোরাকাটা থাকবে। সাদা বাঘের সঙ্গে ব্রিডিং করলে সাদা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এটা জিনগত কারণে হয়েছে।

রাজ ও পরী দুজনেরই গায়ের রং বেঙ্গল টাইগারের স্বাভাবিক যে রং অর্থাৎ হলুদের মধ্যে কালো ডোরাকাটা। আর তারা যেসব সাদা শাবকের জন্ম দিয়েছে, তাদের রং সাদার ওপর কালো ডোরাকাটা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন