ওই পোর্টালের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ সেলিম রেজা বলেন, ‘গতকাল আসাদ সাহেব আমার যে অডিও ক্লিপটা প্রকাশ করেছেন সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ক্লোন করা। তাঁরা আমাকে দেখতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে তো আমার এ ধরনের কোনো কথা হয়নি। রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য তাঁরা গোপনে আমার এই ক্লোন রেকর্ডটি ফেসবুকে বা ইউটিউবে প্রচার করবেন, এটা আমি কখনো আশা করিনি।’

অধ্যক্ষ সেলিম রেজা আরও বলেন, ‘এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছে। তানোর ও গোদাগাড়ীতে ওমর ফারুক চৌধুরীর যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার মনে হয় এই কাজগুলো করেছে।’ এ সময় তিনি আবারও উল্লেখ করেন, অধ্যক্ষ ফোরামে তাঁদের নিজেদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়েছিল, যেটা তিনি আগেই গণমাধ্যমে বলেছেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেলিম রেজা বলেন, তারা যদি এ ধরনের কার্যক্রম থেকে ফিরে না আসে, তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে থাকে, তাহলে অবশ্যই তিনি আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

কলেজে যাওয়ার বিষয়ে সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, কলেজের পাশে একটি রাস্তার উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন। তখন কলেজে উঠেছিলেন। এক কাপ চা খেয়েছেন। সঙ্গে তাঁর অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিকেরা ছিলেন। তাঁদের কাছে অধ্যক্ষ অডিও নিয়ে কথা বলেছেন।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, তিনি সেখানে একা যাননি। তাঁর সঙ্গে আরও গণ্যমান্য লোকজন ছিলেন। তিনি কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে একটু বসেছিলেন। পাঁচ মিনিট বোধ হয়। শিক্ষকদের তিনি বলেছেন, ‘আমাদের নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। কোনো কিছু হয়নি।’ এই কথাটুকু তিনি বলেছেন। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কারণ, ওরা তো এসব পলিটিকস তেমন বোঝে না।

গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান অধ্যক্ষের মার খাওয়ার বিষয়ে একটি অডিও সাংবাদিকদের বাজিয়ে শোনান। এর সত্যতা যাচাই করার জন্য অধ্যক্ষের ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। গতকাল সন্ধ্যায় নগরের রায়পাড়া এলাকায় অধ্যক্ষের বাসায় গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ওঠে, ৭ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী রাজশাহী নগরের থিম ওমর প্লাজার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আরও কয়েকজন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের সামনে গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম রেজাকে মারধর করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন