নির্বাচনে অন্যান্য পদে জয়ী শিক্ষকেরা হলেন সহসভাপতি পদে কৃষি পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মাসুদ আলম, কোষাধ্যক্ষ পদে ফার্মাকোলজি ও টক্সিকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মু. আক্তারুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কিশোর কুমার সরকার।

সদস্য পদে জয় পেয়েছেন সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক পীযূষ কান্তি সরকার, মৎস্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক এম এম মাহবুব আলম, মৎস্য চাষ বিভাগের অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন, অ্যাপিডেমিওলজি ও পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক সুমন পাল, প্ল্যান্ট ও অ্যানভায়রনমেন্টাল বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সোনিয়া বিনতে শহীদ এবং কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. খালিদ হোসেন। গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদের প্রার্থীদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সাদা দলের একজন প্রার্থীও জয়লাভ করতে পারেননি।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি মো. শাহ আলমগীর বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে একটি সুন্দর এবং আদর্শ ছাত্র ও শিক্ষকবান্ধব ক্যাম্পাসে পরিণত করতে চেষ্টা করব।’ অন্যদিকে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. সাদ উদ্দিন বলেন, শিক্ষার কার্যক্রম ও গবেষণাকে আরও যুগোপযোগী করতে তাঁরা ভূমিকা রাখবেন।