প্রতিবাদ সভায় অংশ নেওয়া একাধিক নেতা–কর্মী বলেন, ১৮ জুলাই একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আমানত হোসেন খান সংসদ সদস্য সিমিন হোসেনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। ওই সংবাদে দাবি করা হয়, আমানত হোসেন খান বলেছেন, তাঁর এলাকার সংসদ সদস্য তাঁকে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির পদ থেকে বাদ দিয়েছেন। আর সংসদ সদস্য তাঁর নিজের লোকজন দিয়ে উপজেলার সব কমিটি তৈরি করেছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগে নেতা–কর্মীদের অভিযোগ, সিমিন হোসেনের বিরুদ্ধে আমানত হোসেন খান গণমাধ্যমে অসত্য, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। এর প্রতিবাদে গতকাল রাতে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার করেন।

কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। পরে মিছিল শেষে কাপাসিয়া বাজারের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড মোড়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজীব ঘোষের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, মিজানুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবউদ্দিন আহমেদ, প্রচার সম্পাদক ইমানউল্লাহ শেখ, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সৈয়দ মুজিবুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল হাসান প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা আমানত হোসেন খানকে কাপাসিয়ায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আমানত হোসেন খান বলেন, ‘আমি কোনো সংবাদমাধ্যমে এ–জাতীয় কোনো সাক্ষাৎকার দেইনি। কোনো একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা, ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করেছে। আমাকে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির পদ থেকে বাদ দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। যেহেতু এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। তা ছাড়া সংসদ সদস্য সিমিন হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার মতো ক্ষমতাও আমার নেই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন