প্রবীর পাল বলেন, তিনি ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে স্বর্ণের ব্যবসা করেন। দোকানদারি শেষ করে প্রতিদিনের মতো আজ সন্ধ্যায়ও তিনি মুন্সিগঞ্জ শহরের বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় একটি ব্যাগে গ্রাহকদের ৫০ ভরি স্বর্ণালংকার ও ২ লাখ টাকা ছিল। ভিটিহোগলা টানা সেতু এলাকায় পৌঁছালে সিএনজিতে থাকা পাঁচ পুলিশ সদস্য পথ রোধ করেন। নাম বলতেই হাতকড়া পরিয়ে মাথায় আঘাত করে ব্যাগসহ তাঁরা মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন বলে দাবি প্রবীর পালের।

ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ভাষ্যমতে, ওই পাঁচজনের মধ্যে একজনের গায়ে পুলিশের পোশাক, একজনের গায়ে ডিবির পোশাক, তিনজনের গায়ে সাদাপোশাক ছিল। গ্রাহকদের স্বর্ণ ফিরিয়ে দিতে না পারলে মরণ ছাড়া উপায় নেই বলে জানান প্রবীর পাল।

প্রবীর পালের স্ত্রী সম্পা রানী পাল বলেন, ‘গ্রাহকদের এতগুলো স্বর্ণ আমার স্বামীর কাছ থেকে পুলিশ পরিচয়ে টাকাপয়সাসহ লুট করে নিয়ে গেল। আমরা এগুলো গ্রাহকদের কোথা থেকে এনে দেব। স্বর্ণ না পেলে আমাদের বাড়ি ছাড়তে হবে, নয়তো পথে বসতে হবে। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে স্বর্ণগুলো উদ্ধার করুক।’

ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে জানিয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মোজাম্মেল হক প্রথম আলোকে বলেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ীর সঙ্গেও কথা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য তদন্ত চলছে। স্বর্ণালংকার উদ্ধার এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন