নিহত ব্যক্তির ছেলে শিমুল আকন্দ বলেন, তাঁর বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে টর্চলাইট ও কোঁচ নিয়ে মাছ শিকার করতে বের হন। সারা রাত তিনি বাড়িতে ফেরেননি। এরপর সকালে তাঁকে খুঁজতে বের হন লোকজন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরের টেকমেরুন গ্রামের তমিজ উদ্দিনের ধানখেতের আলে কবির আকন্দকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। এ সময় তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হন তাঁর ছেলে শিমুল। পরে তাঁকে ও তাঁর বাবার লাশ উদ্ধার করেন সঙ্গে থাকা লোকজন।

শিমুল আকন্দ বলেন, জমিতে প্রচুর পানি জমে আছে। সেখানে ইঁদুর আসার কথা না। মাছ শিকার প্রতিরোধ করতে তমিজ উদ্দিন তাঁর জমির আলে বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়া অবস্থায় তার ফেলে রেখেছিলেন। এতে জড়িয়েই তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে।

তমিজ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলতে তাঁর বাড়িতে গেলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। ঘরের দরজায় তালা দেওয়া। আশপাশের লোকজন জানান, জমির আল থেকে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, এমন খবর পাওয়ার পরপরই তমিজ উদ্দিন ও বাড়ির অন্য লোকজন গা ঢাকা দিয়েছেন।

কাপাসিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এফ এম নাসিম প্রথম আলোকে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।