উপজেলা বিএনপি এ ঘটনার জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে। এর আগে গত ২৭ আগস্ট একই কায়দায় বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে আসবাব ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল।

এ হামলার জন্য আমরা আওয়ামী লীগকেই দায়ী করব। এর কারণ, ওরা একদিকে হামলা করেছে, আরেক দিকে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। পুরো কার্যালয় ওরা ভেঙে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে।
হ‌ুমায়ূন সিকদার, আহ্বায়ক, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হ‌ুমায়ূন সিকদার বলেন, ‘এ হামলার জন্য আমরা আওয়ামী লীগকেই দায়ী করব। এর কারণ, ওরা একদিকে হামলা করেছে, আরেক দিকে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। পুরো কার্যালয় ওরা ভেঙে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। হামলা-ভাঙচুরের সময় বিএনপির নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেনসহ উপজেলা পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা এসব দেখছেন না, এটা দুঃখজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. হাফিজুর রহমান বলেন, যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ৫ নভেম্বর বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উপজেলা যুবদলের নেতা-কর্মীরা আজ বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে সমবেত হয়েছিলেন। সভা শেষ করে যুবদলের নেতা-কর্মীরা যে যাঁর মতো চলে যান। এরপরই হামলার ঘটনা ঘটে। ৫০-৬০ জনের সন্ত্রাসী গ্রুপটির হাতে বগি, রামদা, লাঠিসোঁটা ছিল। দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল, টিভিসহ বিভিন্ন জিনিস ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রায় আধা ঘণ্টা হামলা-ভাঙচুরের তাণ্ডব চলে।

বিএনপির কার্যালয়ে এ হামলার সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত নয় দাবি করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব তালুকদার বলেন, ‘কে কখন এ হামলা করেছে, আমরা তা জানি না। হামলাকারী কারা? ভিডিও করে রাখুক, আমরা দেখব।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসীম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ রকম একটি খবর আমি শুনেছি। তবে হামলা-ভাঙচুর হয়েছে কি না, তা এ মুহূর্তে বলতে পারছি না। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’