মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আবদুল হকের দুই ছেলে এক মেয়ে। মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। ছেলে আবুল কালাম কৃষিকাজ ও আসাদুজ্জামান চাকরি করেন। আসাদুজ্জামানকে এমএ পাস করানোর পর ব্যবসা করার জন্য তিনি সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা দিয়েছেন। একপর্যায়ে বেনেয়ালী বাজারে বাড়িসহ ২৬ শতক জমি তাঁরা দুই ভাই লিখে নেন। আবুল কালাম বাড়িতে থাকেন ও আসাদুজ্জামান চাকরির সুবাদে সাতক্ষীরায় থাকেন। আসাদুজ্জামানের ভাগের একটি কক্ষে তিনি বসবাস করতেন। ২ সেপ্টেম্বর আসাদুজ্জামান বাড়ি এসে তাঁকে ঘর থেকে বের করে তালা লাগিয়ে দেন। তাঁর দুই ছেলে পিতার ভরণপোষণ ও ওষুধপত্রের কোনো কিছুর খরচ দেন না।

মামলায় আরও বলা হয়, যাবতীয় সম্পদ ছেলেরা নিজেদের নামে লিখে নিয়ে বৃদ্ধ বাবাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাজারের লোকজনের করা সহযোগিতায় কোনোরকম জীবনযাপন করছেন। ছেলেদের সঙ্গে বিষয়টি মীমাংসায় ব্যর্থ হয়ে তিনি ভরণপোষণের দাবিতে আদালতে এ মামলা করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আলমগীর সিদ্দিক বলেন, বাদীর অভিযোগ আদালত আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন