জামায়াত নেতা আজহারুলের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ, দলের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি
কারাবন্দী নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের মুক্তি ও দলের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সারা দেশে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব কর্মসূচিতে বক্তারা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি না দিলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
খুলনা
বিকেলে খুলনার ঐতিহাসিক শহীদ হাদিস পার্কে খুলনা মহানগর ও জেলা জামায়াত আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহনগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান ও মহানগর সহকারী সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনা বক্তৃতা করেন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও খুলনা জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা কবিরুল ইসলাম, মহানগর সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন, বটিয়াঘাটা উপজেলা আমির মাওলানা শেখ মো. আবু ইউসুফ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ গাউসুল আজম, মহানগর সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, ছাত্রশিবিরের খুলনা মহানগর সভাপতি আরাফাত হোসেন, খুলনা জেলা উত্তর সভাপতি আবু ইউসুফ ফকির ও জেলা দক্ষিণ সভাপতি আবু জার আল গিফারী।
সমাবেশের প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রশ্ন তুলে বলেন, আয়নাঘরসহ সব নিষ্ঠুরতার মাস্টারমাইন্ড শেখ হাসিনার ১৭ বছরের কালোযুগে দেওয়া সব মিথ্যা মামলা ও কথিত রায়ে অনেকেই মুক্তি পেলেও জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম কেন এখনো কারাবন্দি।
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে বিচারিক কার্যক্রম সারা বিশ্বে বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ ও প্রত্যাখ্যাত উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বৈরাচারের আমলে গ্রেপ্তার এ টি এম আজহারুল ইসলামকে কারাগারে আটক রাখা তাঁর প্রতি চরম জুলুম ও অন্যায় ছাড়া আর কিছুই নয়। দেশবাসী স্বৈরাচারের কবল থেকে পরিপূর্ণভাবে মুক্তি চায় উল্লেখ করে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরের শহীদ পার্ক থেকে শুরু হয়ে পিকচার প্যালেস মোড়, ডাকবাংলো মোড়, ফেরিঘাট, পাওয়ার হাউস মোড় হয়ে শিববাড়ী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
সিলেট
বিকেলে সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরের রেজিস্টারি মাঠে সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী ও জেলার সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীনের যৌথ সঞ্চালনে সমাবেশ হয়। এ সময় জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। প্রধান বিচারপতিকেও পালাতে হয়েছে। সেসব জুডিশিয়াল কিলারদের প্রহসনের বিচারে জননেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম কেন এখনো কারাগারে, জাতি জানতে চায়। ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দিন। অন্যথায় উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়ী থাকতে হবে।’
বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে অন্যদের মধ্যে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুল হান্নান ও আনওয়ার হোসাইন, মহানগরের নায়েবে আমির নূরুল ইসলাম বাবুল, মহানগরের সহকারী সেক্রেটারি জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও ইসলাম উদ্দিন, জেলার সহকারী সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম ও মাসুক আহমদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান লোকমান আহমদ, অধ্যক্ষ আবদুস সালাম আল মাদানী, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন, গোলাপগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান নজমুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগরের সভাপতি জামিল আহমদ রাজু প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ময়মনসিংহ
মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ নগরের রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ শেষে কয়েক হাজার নেতা–কর্মীর বিক্ষোভ মিছিল নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউন হল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশে মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ কায়সারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ। এ ছাড়া জেলা জামায়াতের আমির মো. আবদুল করিম, নায়েবে আমডির অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির আসাদুজ্জামান সোহেল, সেক্রেটারি মাওলানা মোজাম্মেল হক আকন্দ প্রমুখ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের কাউতলী মোড় থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দলের কয়েক হাজার নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে লোকনাথ উদ্যান এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এর আগে বেলা ১১টায় শহরের কাউতলী এলাকায় আয়োজিত সমাবেশে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের শুরা সদস্য নজরুল ইসলাম খাদেম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, নায়েবে আমির কাজী ইয়াকুব আলী, মানবকল্যাণ সম্পাদক জুনায়েদ হাসান, প্রচার সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, আইটি সম্পাদক মনিরুজ্জামান, জেলা ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি হাসান মাহমুদ প্রমুখ।
বক্তারা, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ টি এম আজহারুল ইসলামের মুক্তি নিশ্চিত ও দলীয় নিবন্ধন একং প্রতীক ফিরিয়ে দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
নেত্রকোনা
বিকেলে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় পুরোনো কালেক্টরাল প্রাঙ্গণে জেলা জামায়াতের কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের ময়মনসিংহ অঞ্চলের টিম সদস্য ও নেত্রকোনা জেলার সাবেক আমির মাওলানা এনামুল হক। জেলা আমির মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছ এতে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাওলানা মাহবুবুর রহমান। প্রধান অতিথি ছাড়াও বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. দেলোয়ার হোসেন, জেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা নুরুল্লাহ ভূঁইয়া, জেলা শ্রমিক বিভাগের সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন, জেলা প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের আমির মো. রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ, কলমাকান্দা জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল হাসিম প্রমুখ। সমাবেশ শেষে সেখান থেকে মিছিল বের হয়।
রাজবাড়ী
রাজবাড়ী জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা জামায়াতের আমির নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয় রাজবাড়ী রেলওয়ে আজাদী ময়দানে। সমাবেশ শেষে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে শহীদ চত্বরে এসে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা শাখার আমির নুরুল ইসলাম, নায়েবে আমির হাসমত আলী হাওলাদার, সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলীমুজ্জমান, সদর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা সৈয়দ আহম্মদ প্রমুখ।
কিশোরগঞ্জ
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা জামায়াতের ব্যানারে শহরের ঐতিহাসিক শহীদি মসজিদের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং পরে মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহরের বড়বাজার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। বেলা দুইটার দিকে বের হওয়া মিছিলে জেলা জামায়াতের আমির মো. রমজান আলী, নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক, সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম, সাবেক আমির অধ্যক্ষ তৈয়বুজ্জামান, অধ্যাপক মোসাদ্দেক ভূঁইয়া, সহকারী সেক্রেটারি শামছুল আলম, জামায়াত নেতা মাওলানা আজহারুল ইসলাম, কাজী সাইফুল্লাহ, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য মো. রোকন রেজা, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আজিজুল হক, শহর জামায়াতের আমির মাওলানা আ ম ম আবদুল হক, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির কারি নজরুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি খালেদ হাসান, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি হাসান আল মামুন প্রমুখ নেতৃত্ব দেন।
নওগাঁ
বিকেলে নওগাঁ শহরের নওজোয়ান মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জামায়াতের কর্মী-সমর্থকেরা। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুক্তির মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির খ ম আবদুর রাকিবের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির এনামুল হক, অধ্যাপক মহিউদ্দিন, সেক্রেটারি, আ স ম সায়েম, সহকারী সেক্রেটারি নাসির উদ্দীন প্রমুখ।
সুনামগঞ্জ
বেলা দুইটার দিকে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ঐতিহ্য জাদুঘর প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন সংগঠনের নেতা–কর্মীরা। মিছিলটি শহরের আলফাত স্কয়ারে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমেদ খানের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারি নুরুল আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. শামসুদ্দিন ও মোমতাজুল হাসাস, সদর উপজেলা শাখার আমির মোহাম্মদ আলী, পৌর জামায়াতের আমির আবদুস ছাত্তার মো. মামুন, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান প্রমুখ।
জয়পুরহাট
বেলা সাড়ে তিনটায় জয়পুরহাট শহরের শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাঁরা সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিলের বের করেন। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে এসে শেষ হয়। সমাবেশে জামায়াতের জেলা আমির ফজলুর রহমান বলেন, ‘এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মিথ্যা মামলায় জেলে রাখা হয়েছে। আমরা তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি চাই। এ রকম অনেক মামলা করা হয়েছে। এই মামলাগুলো দ্রুত সময়ে নিষ্পত্তি করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’ সমাবেশে অন্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া, সহকারী সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটন, এস এম রাশেদুল আলম, শহর জামায়াতের আমির আনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা আমির ইমরান হোসেন প্রমুখ।
পঞ্চগড়
বিকেলে পঞ্চগড় জেলা শহরের শেরে বাংলা পার্কের মুক্তমঞ্চে জেলা শাখার আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হন জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ জামায়াতের সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা। জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে জেলার আমির ইকবাল হোসাইন, সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, বোদা উপজেলার কর্মপরিষদ সদস্য সফিউল্লাহ সুফি, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আবুল বাশার বসুনিয়া, পঞ্চগড় শহর জামায়াতে ইসলামী আমির জয়নাল আবেদীন, ইসলামী ছাত্রশিবির জেলা শাখার সভাপতি জুলফিকার রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন। বিক্ষোভ সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন পঞ্চগড় শহর জামায়াতে ইসলামির সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন।
কুষ্টিয়া
বেলা তিনটায় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আয়োজনে শহরের চৌড়হাস মোড় থেকে এক বিশাল মিছিল বের হয়। প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে পৌরসভার সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া যশোর অঞ্চলের টিম সদস্য এ কে এম আলী মহসীন, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য অধ্যাপক ফরহাদ হুসাইন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুল গফুর, সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়াদ্দার, শহর আমির এনামূল হক প্রমুখ।
কুমিল্লা
বেলা তিনটায় কুমিল্লা নগরের টাউন হল মাঠে মহানগর জামায়াত আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, এ টি এম আজরুল ইসলামকে মিথ্যা মামলা, মিথ্যা সাক্ষী ও ভুয়া আদালতের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বিগত স্বৈরাচার সরকার। দেশ ফ্যাসিস্টমুক্ত হওয়ার পর এ টি এম আজহারের মুক্তি চেয়ে আন্দোলনে নামতে হয়েছে। এটি আমাদের চরম দুর্ভাগ্য। হয় এ টি এম আজহারকে মুক্তি দিন, না হয় আপনারা বিদায় নিন।
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতে আমির মোহাম্মদ শাহজাহান, উত্তর জেলা আমির অধ্যাপক আবদুল মতিন, মহানগরী নায়েবে আমির মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন প্রমুখ। সমাবেশ শেষে টাউন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
গাজীপুর
সকাল সাড়ে ১০ টায় গাজীপুর জেলা ও মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে শহরের শিববাড়ী মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জয়দেবপুর–ঢাকা রোড ধরে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যাপক মুহা. জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নিবাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য আবুল হাসেম, জেলা আমির জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর নায়েবে আমির খায়রুল হাসান, সেফাউল হক, হোসেন আলী, সালাউদ্দিন আয়ুবী।
দিনাজপুর
সকাল ১০টায় শহরের ইনস্টিটিউট মাঠে সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন শহর প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মমতাজ উদ্দিন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাবেক জেলা আমীর আফতাব উদ্দিন মোল্লা, কেন্দ্রিয় মজলিশে শুরার সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি এনামুল হক, শহর জামায়াতের আমির সিরাজুস সালেহীন, অমুসলিম প্রতিনিধি নির্মল চন্দ্র সাহা প্রমুখ।
নাটোর
শহরের মাদ্রাসা মোড়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কর্মসূচি পালিত হয়। সকালে জামায়াতে ইসলামীর নাটোর জেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। দলীয় নেতা–কর্মীরা শহরের মাদ্রাসা মোড় থেকে মিছিল বের করে ছায়াবাণী মোড় হয়ে আবার মাদ্রাসা মোড়ে গিয়ে শেষ করেন। মিছিলের আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ টি এম আজাহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা আমির মীর নূরুল ইসলাম, নায়েবে আমির দেলোয়ার হোসেন, ইউনুস আলী ও জেলা সেক্রেটারি সাদেকুল ইসলাম।
ভোলা
বেলা তিনটায় ভোলা শহরের কাবিল মসজিদ চত্বরে বিশাল সমাবেশ হয়। ভোলা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন নায়েবে আমির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মো. হারুন অর রশিদসহ জেলা–উপজেলা ও পৌরসভার নেতা। সমাবেশে যোগ দেওয়া কয়েক শ নেতা–কর্মী সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন। বিক্ষোভটি ভোলা শহর প্রদক্ষিণ করে হাটখোলা মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বিকাল পাঁচটায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শান্তিমোড় এলাকায় এসে শেষ হয়। এর আগে পৌর চত্বরে মিছিলপূর্ব সমাবেশে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবু-জার-গিফারির সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, সাবেক পৌর মেয়র ও জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
বাগেরহাট
বিকেলে শহরের মেগনিতলা থেকে মিছিল বের করা হয়। খুলনা-বাগেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে দশানী, সোনাতলা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে, ভিআইপি মোড় পেরিয়ে মিঠাপুকুর পার হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি সংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে কয়েক হাজার নেতা–কর্মী অংশ নেন। এর আগে বেলা তিনটায় মেগনিতলা বাজারে একই দাবিতে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, জেলা সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনূস, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, মিজানুর রহমান মল্লিক, মোস্তাইন বিল্লাহ, জেলা জামায়াতের মজলিশে শুরা ও কর্মপরিষদ অধ্যক্ষ আবদুল আলিম, শেখ মনজুরুল হক, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি হাফেজ মোর্শেদ আলম, সেক্রেটারি আহমেদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা জামায়াতের আমির শহিদুল ইসলমের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠে বিকেলে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও সাতক্ষীরা জামায়াতের সাবেক আমির মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, জেলা নায়েবে আমির শেখ নূরুল হুদা, মাহমুদুল হক, সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, ওবায়দুল্লাহ, ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গনি, শহর শিবির সভাপতি আল মামুন, জেলা শিবির সভাপতি ইমামুল হোসেনসহ বিভিন্ন উপজেলার নেতারা।
সমাবেশে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চলের পরিচালক মুহাদ্দিস আবদুল খালেক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ৬ মাস ১০ দিন অতিবাহিত হচ্ছে। বর্তমান সরকারের আমলে এই প্রথম জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর দেশবাসী আশা করেছিল, তারা সব জুলুম–নির্যাতন থেকে রেহাই পাবেন। যাঁরা মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক ছিলেন, তাঁরা মুক্তি পাবেন। কিন্তু শেখ হাসিনার পতনের পর ফাঁসির আসামিসহ অনেকেই মুক্তি পেলেও জামায়াতের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম মুক্তি পাননি। তাঁর মুক্তি না হওয়ায় দেশবাসী বিস্মিত ও হতবাক।
গোপালগঞ্জ
বিকেলে গোপালগঞ্জের লঞ্চঘাট এলাকার মডেল মসজিদ সামনে থেকে সহস্রাধিক নেতা-কর্মী এই বিক্ষোভ মিছিল করেন। জামায়াতে ইসলামী গোপালগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে মিছিলটি জেলা শহরের লঞ্চঘাট এলাকার মডেল মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে একই স্থানে গিয়ে শেষ করে। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে গোপালগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির রেজাউল করিম, সাবেক আমির মাওলানা আবদুল হামিদ, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক আজমল হোসাইন বক্তব্য দেন।
ফরিদপুর
বিকেলে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে মডেল মসজিদের সামনে থেকে বিশাল একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। কয়েক হাজার জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মী বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে মিছিলে যোগ দেন। মিছিলটি প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কোর্ট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে জেলা জামায়াতের আয়োজনে এক সমাবেশে বক্তারা বক্তব্য দেন। জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুহাম্মদ বদরউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল ওহাবের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. দেলোয়ার হুসাইন, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য সামসুল ইসলাম আল বরাটি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুত তাওয়াব, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, নায়েবে আমির আবু হারিস মোল্লা, সদর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির জসীমউদ্দিন প্রমুখ।
নারায়ণগঞ্জ
বিকেলে জেলা ও মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের খানপুরে শুরু হয়ে শহরের প্রধান এলাকা প্রদক্ষিণ করে চাষাঢ়া বালুর মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে শহরের খানপুর এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মঈনুদ্দিন আহমদ। মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর সেক্রেটারি মানোয়ার হোসাইন, জেলার আমির মমিনুল হক, জেলার সেক্রেটারি মো. হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
শেরপুর
মঙ্গলবার বেলা তিনটায় শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজার থানার মোড় চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শেরপুর জেলা শাখার আমির মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদুল ইসলাম। সমাবেশে শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি মো. নুরুজ্জামান বাদল, ছাত্রশিবিরের সাবেক বিতর্কবিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, গাজীপুর মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি ফারদিন হাসান, জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি আব্দুল বাতেন, শহর শাখার সভাপতি নূরুল আমীন, ইসলামী ছাত্রশিবির জেলা শাখার সভাপতি আশরাফুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য দেন। সমাবেশ শেষে শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজার থানা মোড় থেকে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নওহাটা খোয়ারপাড় মোড়ে এসে শেষ হয়।
বগুড়া
বগুড়া জেলা ও শহর শাখা যৌথভাবে বিকেলে শহরের অ্যাডওয়ার্ড পৌর পার্ক থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। বেলা সাড়ে তিনটায় পৌর পার্কে শুরু হওয়া মিছিলের ব্যাপ্তি ছিল শহরজুড়ে। জামায়াতের বিক্ষোভ ঘিরে গোটা শহর প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। মিছিল শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিগত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের জুলুম-নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছে। হাজারো নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। অসংখ্য নেতা-কর্মীকে বছরের পর বছর কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের অবসান ঘটানোর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ও প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। মুক্তি দেওয়া হয়নি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে।
বিক্ষোভ শেষে আয়োজিত সমাবেশ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া শহর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী। বক্তব্য দেন বগুড়া শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আলমগীর হোসাইন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল বাছেদ, শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল হালিম বেগ, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল হাকিম সরকার, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মানছুরুর রহমান, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আ স ম আব্দুল মালেক প্রমুখ।