নিহতের চাচাতো ভাই সাহাব উদ্দিন বলেন, আগামী শুক্রবার একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের দাওয়াত দেওয়ার জন্য মোটরসাইকেলে নুরু পাটোয়ারীর হাট এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন আবদুল হামিদ। নুরু পাটোয়ারীর হাট এলাকায় পৌঁছানোর পর মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সড়কের পাশে ছিটকে পড়েন তিনি। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান আবদুল হামিদ। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সৈয়দ আনোয়ারুল আজিম বলেন, মাথার পেছনের অংশে আঘাত পাওয়ার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা ফিরে আসার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি অহিদ উদ্দিন মুকুল বলেন, আবদুল হামিদ জাতীয় পার্টির একজন নিবেদিত নেতা ছিলেন। সংগঠনের পাশাপাশি তিনি জেলা শহরে ব্যবসা করতেন। তাঁর মৃত্যুতে দল একজন ত্যাগী নেতাকে হারাল। এ ঘটনায় দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।