তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, ২২ জন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী অস্থায়ীভাবে তিন বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করছেন। সম্প্রতি ১৫টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের দাবি ১৫টি পদের বিপরীতে তাঁদের ২২ জনকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হোক। কিন্তু উপাচার্য এ দাবি মানছেন না। তাই তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

উপাচার্য মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, ২০১৯ সালে তৎকালীন উপাচার্য ২২ জন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে দুই দফায় ১৫টি পদের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ওই ১৫ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এ সময় তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তাঁরা ১৫ পদের বিপরীতে ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এমনকি তাঁরা কোনো লিখিত পরীক্ষাও দিতে রাজি নন। তাঁরা শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁদের চাকরি স্থায়ী করার দাবি জানিয়েছেন। এই দাবিতে আজ সকাল থেকে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির নেতারা তাঁদের সঙ্গে কয়েক দফা কথা বলেছেন। কিন্তু কর্মচারীরা তাঁদের দাবিতে অনড়।

উপাচার্য মো. ফরহাদ হোসেন জানান, আরও সাতটি পদ বৃদ্ধির জন্য তিনি ইউজিসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি সাতটি পদ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁকে আটকে রেখে উপাচার্যের ব্যক্তিস্বাধীনতা হনন করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, তাঁদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।