নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, বজলুরকে ৩ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিন করে মোট ২১ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে তিন মামলায় তাঁর দুই দিন করে ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার পূর্ব গ্রাম থেকে অস্ত্র, মাদক, জাল টাকা, বিদেশি মুদ্রাসহ বজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ৫টি গুলি, ২২০ গ্রাম হেরোইন, ২৫ হাজার ভারতীয় রুপি ও ৭৫ হাজার টাকার জাল নোট, মাদক বিক্রির নগদ সাড়ে ২১ হাজার টাকা ও ১টি মুঠোফোন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব-১–এর নায়েব সুবেদার মো. তৌফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় পৃথক তিনটি মামলা করেন।

র‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র (চনপাড়া বস্তি) এলাকার চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রক বজলুর রহমান। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাঁর বেশ কয়েকজন সহযোগী কাজ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি চনপাড়া বস্তি এলাকাসহ আশপাশের এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে টাকা তুলতেন বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। বজলুর চনপাড়া বস্তির পাঁচ-ছয়জন মাদক ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ক ও গডফাদার। গত ২৭ সেপ্টেম্বর চনপাড়ায় অপরাধীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা চনপাড়া এলাকায় অভিযান চালান। সেখানে বজলুর নির্দেশে অপরাধীরা র‌্যাবের ওপর হামলা চালান।