রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ১১ মাসের শিশু গুলিবিদ্ধ, বাবা আটক
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং (ক্যাম্প-২) আশ্রয়শিবিরে ১১ মাসের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। শিশুটির নাম মো. আরমান। সে আশ্রয়শিবিরের ই-৬ ব্লকের বাসিন্দা ও মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) সক্রিয় সদস্য আবদুল মুবিনের ছেলে।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মুবিনকে আটক করেছে আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। তবে মুবিনের দাবি, মিয়ানমারের আরেক সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যরা তাঁর সন্তানকে গুলি করেছে। তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া গুলি তাঁর সন্তানের পেটে লেগেছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে কুতুপালং (ক্যাম্প-২) আশ্রয়শিবিরের বালুরমাঠ এলাকার ই-৬ ব্লকে এ গুলির ঘটনা ঘটে। এপিবিএনের অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমিন বলেন, আরএসওর সদস্য রোহিঙ্গা আবদুল মুবিন গতকাল রাতে নিজের বসতঘরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত চাপ লেগে তাঁর হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র থেকে এক রাউন্ড গুলি বের হয়। সেই গুলি তাঁর ১১ মাস বয়সী সন্তান আরমানের পেটে লাগে।
এ ঘটনার পর শিশু আরমানকে স্থানীয় রোহিঙ্গারা রক্তাক্ত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ শিশুকে উদ্ধার করে আশ্রয়শিবিরের অভ্যন্তরের কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। আজ বুধবার দুপুর পর্যন্ত সেখানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে।
অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমিন বলেন, মুবিন নিজে বাঁচতে মিথ্যা দাবি করছে। এ ঘটনায় সে নিজেই জড়িত। গুলির ঘটনার পর গতকাল রাতেই মুবিনকে আটক করা হয়েছে। তাঁর ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।