আহত অশোক ঘোষ বলেন, ‘খোরশেদরা সাত-আটজনের একটি দল আমাদের ওপর তিন দফায় হামলা চালায়। তারা আমাদের মারধর করেছে। বাড়িঘর ও প্রতিমা ভাঙচুর করেছে। আমরা থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

তবে প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে যুবলীগ নেতা খোরশেদ আলম বলেন, ‘বাড়ির সীমানা নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের মামলা চলছে। কোনো হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেনি। উল্টো তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। এখন মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, খোরশেদ আলমের পরিবারের সঙ্গে সুভাষ ঘোষের জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। এর জেরে আজ সকালে খোরশেদ আলম ও তাঁর ভাই আরশেদ আলীর নেতৃত্বে সাত-আটজন সুভাষ ও প্রদীপ ঘোষের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় তাঁরা ঘরে থাকা প্রতিমা ভাঙচুর করেন। এতে বাধা দিতে গেলে চারজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।