মেসগুলোয় ধারণক্ষমতা প্রায় ৫০ হাজার। বাকি শিক্ষার্থীরা বিভিন্নভাবে থাকবেন।

রাজশাহী রেলস্টেশনের কয়েকজন ভর্তি পরীক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকের সঙ্গে কথা হয়। শর্মিলা সরকার নামের এক ভর্তি-ইচ্ছুক এসেছেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা থেকে। সঙ্গে এসেছেন তাঁর বাবা। শর্মিলা প্রথম আলোকে বলেন, ‘হোটেল তো দূরের কথা, ট্রেনের টিকিটই জোগাড় করতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত ট্রেনে দাঁড়িয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিই। স্টেশনে এসে খুলনা থেকে পোড়াদহ পর্যন্ত বাবা-মেয়ে দুটি টিকিট পাই। এরপর রাজশাহী পর্যন্ত বাকি পথ দাঁড়িয়ে এসেছি।

আগের দিন দুপুর ১২টায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম। গত রাত ১১টার দিকে রাজশাহী স্টেশনে পৌঁছেছি। তার পর থেকে এই চেয়ারে বসে আছি। আজ বিকেলে আমার পরীক্ষা।’ ঢাকা থেকে ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনে গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজশাহী রেলস্টেশনে এসেছেন জারিফা আক্তার। সঙ্গে এসেছেন তাঁর মা। তিনি কোথাও থাকার জায়গা পাননি। হোটেলেও সিট পাননি।

বাধ্য হয়ে মা-মেয়ে স্টেশনের চেয়ারেই সারা রাত বসে ছিলেন। জারিফার পরীক্ষা বেলা ১১টার দিকে। আগের দিন দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। এই ২৪ ঘণ্টা তাঁরা এভাবেই কাটিয়েছেন।

মোহাম্মদ শাহেদ নামের এক ভর্তি-ইচ্ছুক ঢাকা থেকে ভোর সাড়ে ছয়টায় রাজশাহীতে এসে পৌঁছেছেন। তাঁর থাকার জায়গা নেই। তাই স্টেশনে উঠেছেন। তাঁর পরীক্ষা আগামীকাল মঙ্গলবার। এ সময়টা তিনি স্টেশনেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চেয়ারে যাঁরা বসার জায়গা পাননি, তাঁরা স্টেশনের বিভিন্ন পিলারের নিচে বসার জায়গায় বসে পড়ছেন। সারা রাত জাগার কারণে কেউ শুয়ে, কেউ আধশোয়া হয়ে বই পড়ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন