পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বাচোর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভাংবাড়ি ভিএফ নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গণনা শেষে সন্ধ্যা সাতটার দিকে চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের ফলাফল ঘোষণা করেন ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা খতিবর রহমান। এতে সাধারণ সদস্য পদে বাবুল হোসেন ৪৯৩, আজাদ আলী ৪৪২ ও খালেদুর রহমান ২৪৫ ভোট পান। ফলাফল ঘোষণার পর পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকেরা পুলিশের ওপর হামলা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি ছোড়ে। এতে স্থানীয় মো. বাদশা নামের এক ব্যক্তির মেয়ে সুমাইয়া মায়ের কোলে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। ভোটের ফলাফল জানতে সুমাইয়াকে নিয়ে তার মা ভোটকেন্দ্রে এসেছিলেন। গুলিতে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ফিরোজ আলম প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় আহত ১১ ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে তাঁদের মধ্যে কতজন বাচোর এলাকার, তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তা খতিবর রহমান বলেন, সব প্রার্থীর ফলাফল ঘোষণা করে তাঁরা কাগজপত্র বুঝিয়ে দিয়ে সেখান থেকে চলে আসেন। পরে জানতে পারেন, পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকেরা পুলিশের ওপর হামলা করেছেন।

রানীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাহিদ ইকবাল প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নিরাপদ রাখতে পুলিশ গুলি ছুড়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকেরা ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ওপর হামলা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি ছোড়ে। ওই গুলিতে এক শিশু নিহত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন