নিহত ইমনের বাবা মোহাম্মদ হাসান বলেন, নদীর তীরে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইমনের মোটরসাইকেল গতিরোধ করেন পেশকারপাড়ার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার পলাতক আসামি আবদুল্লাহ খান, ছৈয়দ আকবর, রমজানসহ সাত-আটজন সন্ত্রাসী। একপর্যায়ে ইমনকে শরীরে বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় ইমন মাটিতে ঢলে পড়লে তাঁরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান। গুরুতর আহত ইমনকে পথচারীরা উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল দিবাগত রাত তিনটার দিকে ইমনের মৃত্যু হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে মুঠোফোনে নিহত ইমনের মামা কায়সার মাওলা বলেন, আজ শুক্রবার দুপুরের দিকে নিহত ইমনের লাশ নিয়ে তাঁরা কক্সবাজারের পথে রওনা দেবেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মুনীর-উল-গীয়াস প্রথম আলোকে বলেন, সন্ত্রাসীদের ধরতে এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ জানা যায়নি। লাশ চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে পৌঁছালে ময়নাতদন্ত সম্পন্নসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন