উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরে মা ও সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা, গৃহকর্তা পলাতক
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরের বি-৬ ব্লকে মা ও সন্তানকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর পর থেকে গৃহকর্তা পলাতক।
গতকাল বুধবার রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত আরেক ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতাদের ভাষ্য, পারিবারিক কলহ ও বিরোধের জের ধরে গতকাল গভীর রাতে এহানুল হক স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৩৪) এবং দুই ছেলে সমিন (৮) ও বাপ্পিকে (৪) কুপিয়ে জখম করেন। ঘটনাস্থলেই সুফিয়া ও সমিনের মৃত্যু হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় বাপ্পিকে আশ্রয়শিবিরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এহানুল হক ইয়াবা ব্যবসায় যুক্ত। মাদক ব্যবসা ছাড়তে স্ত্রী চাপ সৃষ্টি করলে বিরোধের সৃষ্টি হয়। কয়েক দিন আগে মাদক কারবারের কথা পুলিশকে জানানোর হুমকি দিলে এহানুল স্ত্রীকে মারধর করেন।
রোহিঙ্গা নেতা আমির হোসেন বলেন, অভিযুক্ত এহানুল হক প্রথমে স্ত্রীকে আঘাত করেন এবং কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় দুই ছেলে চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করলে তাদেরও দা দিয়ে কোপান। প্রতিবেশীরা এগিয়ে গেলে এহানুল পালিয়ে যান।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুজিবুল হক বলেন, ঘটনার পরপরই এহানুল হক পালিয়ে যান। তাঁকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। মা ও ছেলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।