লিখিত বক্তব্যে প্রিয়তোষ বিশ্বাস বলেন, ধোবাউড়া সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ের অধীন দলিল সমিতির সব দলিল লেখক জমি রেজিস্ট্রির জন্য জমির ক্রেতা ও বিক্রেতার কাছ থেকে জোর করে বাড়তি টাকা আদায় করেন। সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবিব, দলিল লেখক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খান ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুছ মিলে দলিল লেখক সমিতিকে দুর্নীতির সংগঠনে পরিণত করেছেন। তাঁদের চাপে পড়ে সব দলিল লেখকেরাই জমির ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করতে বাধ্য হন। প্রতিটি জমি রেজিস্ট্রি থেকে সমিতির নামে ১০ হাজার টাকা ও সাবরেজিস্ট্রির নামে আরও ৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কেউ বাড়তি এ টাকা দিতে না চাইলে তাঁর জমির রেজিস্ট্রি বন্ধ রাখা হয়। এভাবে দিনের পর দিন দুর্নীতি বেড়ে যাচ্ছে ধোবাউড়া সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে। দুর্নীতির কারণে মানুষের ভোগান্তি ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ায় এই সংবাদ সম্মেলন করা হয় বলে দাবি করেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবিব ও দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান। জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, ‘আমি ধোবাউড়া উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি। আমার সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে প্রিয়তোষ বিশ্বাসের। যে কারণে তিনি আমাকে বেকায়দায় ফেলতে এমন অভিযোগ করেন।’

ধোবাউড়ার সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবিব বলেন, দলিল লেখক সমিতির সঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ বিশ্বাসের কোনো বিরোধ থাকতে পারে। ওই বিরোধের কারণেই তিনি এ ধরনের অপপ্রচার করতে পারেন। ধোবাউড়া সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে কোনো দুর্নীতি হয় না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন