বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, একশ্রেণির লোক পরিযায়ী পাখি শিকারের উদ্দেশ্যে কাওয়াদীঘি হাওরের বিভিন্ন স্থানে জাল পেতে রেখেছে। রাতে পরিযায়ী পাখি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে উড়ে যাওয়ার সময় এসব জালে আটকে মারা পড়ছে। এসব জাল জব্দ করার লক্ষ্যে বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ বুধবার সকাল ১০টা থেকে র‍্যাবের সহযোগিতায় কাউয়াদীঘি হাওরে অভিযানে নামে। সন্ধ্যা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় হাওরের কাগজি বাড়ি, বইচা বিল, বড়কাপন এলাকার মান্দার বনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পাখি শিকারের ১৬টি জাল উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা জালের পরিমাণ ৭ হাজার ২০০ বর্গমিটার।

অভিযানে অংশ নেন বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ মৌলভীবাজারের সহকারী বন সংরক্ষক শ্যামল কুমার মিত্র, মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা গোলাম ছারওয়ার, বর্ষিজুড়া বিটের কর্মকর্তা আবু নইম মো. নুরুন্নবী, জুনিয়র ওয়াইল্ড লাইফ স্কাউট শুক দেব, তাজুল ইসলাম, শাহ আলম প্রমুখ।

মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা গোলাম ছারওয়ার প্রথম আলোকে বলেন, জাল উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। পাখি সংরক্ষণে এ রকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।