নৌ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন মেঘনা নদীর ওই ঘাটে গোসল করতে আসেন রেখা বেগম। তাঁর সঙ্গে থাকে ছেলে তাওহীদ। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রেখা ও তাওহীদ ঘাটের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে গোসল করছিলেন। গোসল সেরে রেখা পাড়ে উঠবেন, এমন সময় তাওহীদকে কোথাও দেখা যাচ্ছিল না। রেখা চিৎকার শুরু করেন। আশপাশের লোকজন এসে নদীতে ডুব ও জাল ফেলে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। খবর পেয়ে করিমপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক সুজন কুমার পণ্ডিতের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

বিকেল পৌনে পাঁচটায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিশুটির হদিস মেলেনি। শিশুটির মা রেখা বেগম বলেন, ‘আমাদের তাওহীদ ভালোই সাঁতার জানত। মেঘনা নদীতে সমবয়সীদের সঙ্গে সে অনেক সাঁতার কেটেছে। অথচ আজ নদীর ঘাটে গোসল করতে নামার পর সে তলিয়ে গেল, এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে।’

নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক সুজন কুমার পণ্ডিত বলেন, তাঁরা ৯ বছর বয়সী শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় লোকজন ও শিশুটির স্বজনেরাও তাঁদের সঙ্গে কাজ করছেন।