এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল হক বলেন, ‘আমাদের কাছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগ একটি সভা করে আনুষ্ঠানিকভাবে শাহ আসাদুজ্জামানকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। সভার রেজল্যুশন যথাযথভাবে আমরা কেন্দ্রে পাঠিয়েছি।’

এর আগে গতকাল রোববার এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী খুরশীদ আলম ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ওই লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ‘২৭ জুলাই অনুষ্ঠেয় ডুমাইন ইউপি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে মধুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহ আসাদুজ্জামান বিদ্রোহী প্রার্থী হন। ওই প্রার্থীকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিএনপি ও জামায়াতের নেতা–কর্মীরা সংগঠিত হয়ে পুরো ইউনিয়নে অরাজকতা সৃষ্টি করছেন। তাঁরা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছেন। আর তাঁদের সহযোগিতা করছেন আমার দলেরই ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতা।’

বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দল থেকে বহিষ্কার করার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহ আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি মৌখিকভাবে বহিষ্কারের বিষয়টি শুনেছি। আমি জীবনভর আওয়ামী লীগ করেছি। পদের লোভে দল করিনি। দল যদি আমাকে বহিষ্কার করে, তার জন্য আমার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। আওয়ামী লীগ করি, আমৃত্যু আওয়ামী লীগই করব।’

আজ ওই বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এক সভা করে ডুমাইন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহ আবু নাঈম আহম্মেদকে বহিষ্কার করেছে। তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ আসাদুজ্জামানের ছোট ভাই।
এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ফয়সাল আহম্মেদ রবিন বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করার অভিযোগে ডুমাইন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহ আবু নাঈম আহম্মেদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন