সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসমত আলী প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে আবদুল জব্বার দাবি করেন, ‘আমরা ৪০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছি। ষড়যন্ত্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে সম্পূর্ণ অন্যায় ও মিথ্যাভাবে কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ আমাদের ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে। মামলার মাধ্যমে আমাদের হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইকবাল আজাদ হত্যাকাণ্ডের দুই বছর পর যাঁদের আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছিল, তাঁরা ৮ বছর ধরে সংগঠন চালাতে চরম ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁদের ব্যর্থতার কারণেই গত উপজেলা ও ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়েছে। নতুন কমিটি গঠনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়নি। কাউন্সিলরদের এবং প্রার্থীদের মতামত নেওয়া হয়নি। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কাউন্সিলরদের গোপন ভোটের মাধ্যমে কমিটি হলে তাঁরা সভাপতি ও সম্পাদক হতে পারতেন না।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল জব্বার আরও বলেন, ‘এখানে স্বাধীনতাবিরোধী এবং বঙ্গবন্ধুর খুনি তাহের উদ্দিন ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যকে পদ দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ব্যর্থ ও অযোগ্য ব্যক্তিদের কমিটি প্রত্যাখ্যান করলাম। আমরা তাদের কমিটি মানি না। উপজেলা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ঘোষিত অবৈধ কমিটি বাতিল করে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করছি।’

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত আলী বলেন, উপজেলার ৯টি ইউপি শাখা আওয়ামী লীগের কমিটির কোনোটিতেই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানদের রাখা হয়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন