গত রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, গ্রামের চারপাশে পানি থাকলেও মাসুকদের বাড়ি থেকে পানি নেমে গেছে। বাঁশের খুঁটি আর টিনের চালার ঘরের কোনো অস্তিত্বই সেখানে নেই। কেবল শূন্য ভিটা পড়ে আছে। এর আশপাশে বন্যার ক্ষত। সেখানে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে পাকা মেঝের খানিকটা অংশ। মাসুকের ঘরের বৈদ্যুতিক তার এবং মিটার একটা গাছে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে।

মাসুক মিয়া জানান, পাথর কোয়ারিতে শ্রমিকের কাজ করতেন। দুই বছর আগে প্যারালাইসিস হয়, তার পর থেকে ভারী কাজ করতে পারছেন না। স্ত্রী খালেদা বেগমই এখন দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান। চার সন্তান তাঁদের। বন্যায় তাঁদের ঘরে বুকপানি হয়। তখন পানির তোড়ে পুরো টিনের ঘরটিই ভেসে যায়। আর্থিক দুরবস্থায় ঘরটি মেরামত করতে পারছেন না। ফলে ঘরহীন অবস্থায় গ্রামের অন্য আরেকজনের বাড়িতে দিনযাপন করছেন।

মাসুক মিয়া আরও জানান, বন্যায় তাঁর দিনমজুর স্ত্রী আয়হীন হয়ে পড়েছেন। ফলে তাঁরা প্রচুর অর্থকষ্টে ভুগছেন। এখন ধারকর্জ করে কোনোরকমে সংসার চালাচ্ছেন।

মাসুকের প্রতিবেশী আবদুর রউফ বলেন, মাসুকের ঘর ভেসে গেছে। এখন কেবল শূন্য ভিটেমাটি পড়ে আছে। মাসুক নিজে অসুস্থ হওয়ায় কাজও করতে পারেন না। ফলে এখন অসহায় জীবন কাটছে তাঁদের। আর্থিক সহযোগিতা ছাড়া কোনোভাবেই মাসুকের পক্ষে ঘরটি পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন