দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজন হলেন, বেলকুচি উপজেলার চর মকিমপুর গ্রামের সোহেল (২৫), কাওছার (২৪), ওসমান (২৫), তামাই গ্রামের আল-আমিন (৩৫) ও হিরণ (৩০)। রায় ঘোষণার সময় তাঁরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, শিশু ইমনের বাবা চাঁন মিয়া মালয়েশিয়ায় থাকেন। চাঁন মিয়ার স্ত্রী মমতা খাতুন দুই সন্তান নিয়ে তাঁর বাবার বাড়ি চর মকিমপুর গ্রামে বাস করেন। ২০১০ সালে মমতা খাতুন তাঁর চাচা আলহাজ আলীকে জমি কেনা বাবদ ৩০ হাজার টাকা বায়না দেন। পরে জমি রেজিস্ট্রি করে না দেওয়ায় টাকা ফেরত চান। আলহাজ আলী টাকা ফেরত না দেওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে ঝগড়া হয়। তখন আলহাজ আলী ও তাঁর লোকজন মমতা খাতুনের ছেলের ক্ষতি করবেন বলে হুমকি দেন।

২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে চাঁন মিয়া ও মমতা খাতুন দম্পতির সন্তান ইমন নিখোঁজ হয়। এক সপ্তাহ পর ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পার্শ্ববর্তী মাইঝাইল গ্রামের একটি বাঁশঝাড় থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ইমনের চাচা সানোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ওই দিন বিকেলে সাতজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তকালে আসামি আল-আমিন ও ওসমান জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ বিচারক পাঁচ আসামিকে যাবজ্জবীন কারাদণ্ড দেন।