বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায় মুক্তি দিতে সংবিধানে কুখ্যাত আইন প্রণয়ন করেছে। ভুলিনি মির্জা ফখরুল। ৩ নভেম্বর জেল হত্যাকাণ্ড। জাতীয় নেতাদের খুনিদের তারা পুরস্কৃত করেছে বিদেশি দূতাবাসে চাকরি দিয়ে। আমরা ভুলিনি। বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে হত্যা করার জন্য তারা গ্রেনেড হামলা করেছে। বিএনপি আমাদের মারতে চায়, হত্যা করতে চায়। কথা কথায় বলে ’৭৫–এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমালোচনা করে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি তাঁকে নেতা মানতে পারে, বাংলাদেশের মানুষ তাঁকে নেতা মানতে পারে না। তাঁর নেতৃত্ব বাংলাদেশের মানুষ কোনো দিনও পছন্দ করবে না, ঘৃণা করবে। তিনি বলেন, ‘১৫ আগস্টের মাস্টারমাইন্ড জেনারেল জিয়াউর রহমান। ২১ আগস্টের মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমানে। এ দল আওয়ামী লীগকে সহ্য করতে পারে না। শেখ হাসিনাকে সইতে পারে না। লন্ডন থেকে বলে হাসিনা। তুইও বলে তুমিও বলে। বেয়াদবির সীমা আছে।’

ওবায়দুল কাদের বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আজকে খুনের মামলার আসামি গ্রেপ্তার করতে গেলে ফখরুল সাহেব আপনিসহ আপনার নেতারা যেসব কথা উচ্চারণ করেন, যেসব ভাষায় কথা বলেন, পতন ঘটাবেন। আল্লাহ যাকে ক্ষমতায় রাখবে, কেউ কি তার পতন ঘটাতে পারবে? পতন আপনাদের হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাব।’

কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক রায়হানের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী, দুই যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন, নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র সহিদ উল্যাহ খান প্রমুখ।