২২ জুন থেকে হাকালুকি হাওরপাড়ের বিভিন্ন গ্রামের ৫৩টি পরিবার বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠে। বিদ্যালয়ের এই দুই শিক্ষক বানভাসি মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করাসহ ২৩ জুন থেকে পরিবারের সঙ্গে আসা প্রথম থেকে দশম শ্রেণির ২৪ শিক্ষার্থীকে স্বেচ্ছায় পাঠদান শুরু করেন। এ নিয়ে ১৪ জুলাই প্রথম আলোতে ‘আশ্রয়কেন্দ্রে স্বেচ্ছায় পাঠদান’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়।

পঞ্চম শ্রেণির জেরিনা বেগম, অষ্টম শ্রেণির ফাহিমা বেগমসহ শিক্ষার্থীরা বলেছে, বন্যার পানিতে তাদের বই-খাতা পানিতে ভেসে গেছে। কঠিন একটি সময়ে আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছে তারা। এই শিক্ষকেরা তাদের খাবারের ব্যবস্থাসহ পাঠদান করেছেন। এতে তাদের পড়াশোনার কোনো ক্ষতি হয়নি। এখন ছেড়ে যেতে তাদের কষ্ট হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস প্রথম আলোকে বলেন, আগামীকাল বুধবার স্কুল খুলছে। সবার সঙ্গে একটা পারিবারিক সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল। প্রাথমিক ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা বলছে, তাদের এই স্কুলে ভর্তি করে নিতে। তাদের ছাড়তে নিজেদেরও খারাপ লাগছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন