সন্ধ্যার পর ওই কিশোরীর বোন অভিযোগ করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিকেলে আমার বোনকে ঢাকা মেডিকেলের ওসিসি ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। পরে ধর্ষণের ঘটনা শুনে ওয়ার্ড থেকে বের করে দেওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে বলা হইছে, মামলা না হইলে আমার বোনের চিকিৎসা শুরু হইবে না। ওরে বারান্দায় রেখে দিসে। আমার মা থানায় আছেন। মামলা হইলে তারপর চিকিৎসা শুরু হইব।’

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই কিশোরী একটি কারখানার শ্রমিক। এক মাস আগে অভিযুক্ত সাব্বিরের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আজ দুপুরে সাব্বির তাকে মুঠোফোনে নলপাথর এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে গেলে মা–বাবার সঙ্গে দেখা করানোর কথা বলে ওই কিশোরীকে স্থানীয় একটি আবাসন প্রকল্পের মাঠে নিয়ে যান সাব্বির।

সেখানে অজ্ঞাতনামা আরও চারজন মিলে তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে কিশোরীটিকে ওই মাঠে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ কল করলে ভোলাব তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এফ এম সায়েদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।