মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষের চিঠি পাঠানো প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু পারসেল পাঠানো বন্ধ হয়নি; বরং বাড়ছে। এই পারসেল পৌঁছে দেওয়া ডাকঘরের কাজ। একই সঙ্গে পারসেল ট্র্যাকিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মোবাইল দিয়ে লোকেশন ট্রাক করা যাবে। সেই সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সম্পদ এখন ডাকঘর। কারণ, সারা দেশে ডাকঘরের মতো এত কার্যালয় আর কোনো দপ্তরের নেই। এ ছাড়া পিয়নরা দেশের প্রতিটি ঘর চেনেন। এই নেটওয়ার্কটাই কাজে লাগানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে একটি সার্ভে করার কাজ হচ্ছে। এরপর পুরো ডাকঘরব্যবস্থা পাল্টে একটি ডিজিটাল ডাকঘর তৈরি করা হবে।

এ সময় মাদারীপুর জেলা প্রশাসক রহিমা খাতুন, পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা, জেলা পোস্ট মাস্টার শ্যামল কান্তি ঘোষ, রাজৈর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন