আঞ্জুয়ারা অভিযোগ করেন, ‘পাঁচ মাস আগে ছাত্রলীগ নেতা তানভীর রাজন আমাদের আশ্রয়ণ প্রকল্পে আসেন। সেখানে তিনি এক দোকানদারের কাছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের মধ্যে অসুস্থ লোকের নাম জানতে চান। পরে ওই দোকানদার তানভীরের সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি আমাকে এমপির কাছ থেকে চিকিৎসার অনুদানের ৫০ হাজার টাকা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেন। এ জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে এবং কাটলা বাজারে আমার মহাজন কাপড় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একাধিকবার সব মিলিয়ে ১৪ হাজার ৬০০ টাকা নেন।’

আঞ্জুয়ারা বলেন, ‘কয়েক মাস পর তানভীর রাজনকে চিকিৎসা অনুদানের টাকার কথা বললে তিনি বিভিন্নভাবে টালবাহানা করেন। পরে তাঁর কাছে আমার টাকা ফেরত চাইলে তিনি আমাকে বিভিন্ন হুমকি দেন। আমি তাঁর বাড়িতে গিয়ে টাকার কথা বললে তাঁর মা–বাবা আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।’

ভুক্তভোগী নারীর এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগ নেতা তানভীর রাজন। তিনি বলেন, ‘আমি ওই নারীর কাছ থেকে কোনো ঘুষ নিইনি। দুই মাস আগে আমি তাঁর কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম। গ্রামের কিছু মানুষ ওই নারীকে প্রভাবিত করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। আমি কয়েক মাস ধরে ঢাকায় অবস্থান করছি।’

এ বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা এক বিধবা নারীর কাছ থেকে তানভীরের টাকা নেওয়ার কথা লোকমুখে শুনেছি। বুধবার সকালে এ বিষয়ে উপজেলা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে জরুরি সভা করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছেে। তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার হবে।’