স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সালমানের বাবা আবদুর রাজ্জাক একজন ভ্যানচালক। পরিবারের অভাব মেটাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি সালমান দালালবাজারের মোস্তাক মার্কেটের আমানত হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারিতে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। গত ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মোমবাতি থেকে ওই দোকানে আগুন লাগে। আগুন নেভাতে গিয়ে দোকানমালিক মাঈন উদ্দিন এবং কর্মচারী সালমান দগ্ধ হন। তাঁদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।

উত্তর হামছাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর শাহ আলম জানান, গতকাল দিবাগত রাত একটার দিকে সালমানের লাশ গ্রামের বাড়িতে এনে দাফন করা হয়েছে।