পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টার দিকে সোনামইুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের রাজিবপুর এলাকায় ব্যাটারিচালিত একটি মিশুক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের ডোবায় পড়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন ডোবা থেকে অচেতন অবস্থায় চালক আবুল কাশেমকে উদ্ধার করে পাশের সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে সোনাইমুড়ী থানা–পুলিশ গিয়ে নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

আজ বুধবার দুপুরে দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুজন মিশুক অটোরিকশাচালক এবং একজন মসজিদের ইমাম। এ ছাড়া এক নারী আহত হয়েছেন।

একই দিন বেলা ১১টার দিকে সোনামইুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের নান্দিয়াপাড়া বাজারসংলগ্ন ডমুরিয়ারটেক এলাকায় যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মিশুকের সংঘর্ষ হয়। এতে মিশুকচালক আবুল হোসেন এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী কুলসুম আক্তার গুরুতর আহত হন। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় আবুল হোসেনকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহছান উদ্দিন প্রথম আলোকে ঘটনা দুটি নিশ্চিত করেন।

অপর দিকে, আজ বেলা দুইটার দিকে চাটখিল উপজেলার ইয়াছিন হাজীর বাজার জামে মসজিদের ইমাম শিব্বির আহমেদ মোটরসাইকেলে করে বিনাতলা গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে নোয়াখোলা ইউনিয়নের সোনাচাকা বাজারের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে শিব্বির আহমেদ গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, পিকআপ ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পরই চালক পালিয়ে গেছেন। তবে এ ঘটনায় শিব্বির আহমেদের পরিবারের কেউ মামলা করতে রাজি হননি। তাঁরা হাসপাতাল থেকে লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন